YouTube বন্ধ হয়ে গেলে...

বেশ কিছু দিন যাবৎ বাংলাদেশে ইউটিউব বন্ধ ছিল। কিন্তু তাই বলে আমাদের প্রয়োজন শেষ হয়ে যায় নি। নিজেদের প্রয়োজনের স্বার্থে বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে উপায় বের করে নিয়েছি।

তুমি নেই তাই

পরমিতা.. হয়তো বা আজ রাতে.. হয়তো বা তোমায় একটা চিঠি লিখতে পারি। তোমার অবর্তমানে আমার অনুভূতিগুলো সাজাবো তাতে।।

বই রিভিউ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বই রিভিউ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৩

আমার চোখে ফ্রেডা ওয়ারিংটনে’র “Dracula The Undead” বা (রিটার্ন অভ ড্রাকুলা)

প্রথম প্রকাশঃ ৩০ শে মে, ২০১৩ রাত ৮:৫২

সামহোয়্যারইন ব্লগ



প্রাক-কথনঃ
বিশ্ব বিখ্যাত হরর ঔপন্যাসিক ‘ব্রাম স্টোকারে’র কালজয়ী উপন্যাস- “ড্রাকুলা”। এটুকু হররপ্রেমীদের সবারই জানা আছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকরতম পিশাচ কাহিনী। বইটি প্রথম প্রকাশ করা হয় অক্টোবর, ১৯৭৯ সালে। বাংলা ভাষায় এর অনুবাদ করেন রকিব হাসান। বইটির সার সংক্ষেপ হলো নিম্নরূপ:
“কাউন্ট ড্রাকুলা” নামক এক পিশাচ। মানুষের রক্ত যার খাদ্য। স্থানীয় মানুষ তার নাম শুনলে ক্রুশ ছুঁয়ে ঈশ্বরের আশ্রয় প্রার্থণা করে; অথবা শূন্যে ক্রুশ চিহ্ন আঁকে। ট্রান্সিলভেনিয়ার দুর্গম অঞ্চলে কার্পেথিয়ান পর্বতমালার ভেতর কোনও এক পাহাড়-চূড়ায় অবস্থিত প্রাচীন এক বিশাল দূর্গে তার বাস। লোকেরা ওই দূর্গকে "ক্যাসল ড্রাকুলা" বলে থাকে। দুর্গের নিচে অবস্থিত অন্ধকার সমাধিতে একটা কফিনের ভেতর। সভ্য দুনিয়ার রক্তের লোভে সে লন্ডনের “কারফাক্স এ্যাবি”তে আস্তানা গাড়ল। এদিকে লন্ডনের বিভিন্ন স্থানে অদ্ভুত সব কান্ড ঘটতে লাগল। লন্ডনগামী রাশিয়ান মালবাহী জাহাজ ডিমেটারের দশ নাবিকের মধ্যে নয়জনই রহস্যজনকভাবে উধাও।