YouTube বন্ধ হয়ে গেলে...

বেশ কিছু দিন যাবৎ বাংলাদেশে ইউটিউব বন্ধ ছিল। কিন্তু তাই বলে আমাদের প্রয়োজন শেষ হয়ে যায় নি। নিজেদের প্রয়োজনের স্বার্থে বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে উপায় বের করে নিয়েছি।

তুমি নেই তাই

পরমিতা.. হয়তো বা আজ রাতে.. হয়তো বা তোমায় একটা চিঠি লিখতে পারি। তোমার অবর্তমানে আমার অনুভূতিগুলো সাজাবো তাতে।।

শখের কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শখের কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৬

একা

সিমেন্টের তৈরী ছোট বেঞ্চিটা খালি পড়ে আছে।
একটু আগেও তাতে কেউ বসে ছিলো। একটা ছেলে।
বাদামের খোসাগুলো বড়ো নির্লজ্জ। ছড়ানো-ছিটানো।
রোদ্রের তাপ আর কতোক্ষণ থাকবে! বাতাসে শীতল অনুভব ধীরে ধীরে বাড়ছে। অনেকটাই থেমে গেছে কোলাহল।
সূর্যের স্থানটা বুঝি চন্দ্র এসে দখলে নেবে একটু পরেই।


নিঃসঙ্গ বেঞ্চিটার সামনে বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে পানি আর পানি।
ঝিরিঝিরি বাতাসে ঈষৎ কম্পিত পানির ক্রমাগত ছোট ঢেউয়ের দল এক কথায় দারুণ..
পশ্চিমের আকাশে অনেক চিল জমা হয়েছে আজ।
যেনো লাল-হলুদের মাঝে কালোর মেলা বসেছে।

জানোয়ার

বাতাসের শোঁ-শোঁ গর্জনের মাঝেও অন্য কিছুর শব্দ আমার কর্ণকুহরে প্রবেশ করছিলো। মধুর আওয়াজ নয়, আশার বাণীও নয়, নয় কোনও মানুষের কথা। অথচ তা কোনও পাখির ভাষাও ছিলো না। আশেপাশে কতোগুলো পোকামাকড় ছিলো। ওগুলোর হাতে বিষ, পায়ে বিষ, বিষ ওগুলোর মুখে; সর্বশরীরে। চারিদিকে ওদের ছুটোছুটির শব্দ অত্যন্ত ভয়ংকর শোনা যাচ্ছিলো। চারিধারে ওরা লম্ফঝম্ফ করে বিষ ছুড়ছিলো। এই জগৎটা যেনো কেবলই ওদের, অন্য কারও বাস করার অধিকার নেই এতে।

সেভ প্যালেস্টাইন

তুমি যুদ্ধগ্রস্ত; আবহ বন্দি
এক টুকরো নির্মল বায়ুর খোঁজে ছুটছো
মৃত্যুর পথে ধাবমান, মরণ তোমার পিছু
নিঃশ্বাসে পাও বারুদ পোড়া
অনিল ভাসায় রক্ত পচা, বিঁধছে বুকে বুলেট।

ঢেউ তুলে হাওয়ায় দুলে কাশবনের মাথায়
আকাশের বুকে এক ছোপ নীল মেখে
তব প্রাণখানি সাদা বক সেজে উড়ে যায়
কে জানে- কোথায়, কার হিয়ায়, কোন অজানায়।

বিশ্বে আজ ঈদের হর্ষ-হাসি
দামি কাপড়, নতুন জামা-জুতো
তোমার দেহে পুরান ছেঁড়া সুতো
ঈদটা তোমার বড়ই কটু বাসি।

২৯ জুলাই, ২০১৪

পূর্বপুরুষ

প্রবল বাতাসের বিপরীতে সদা দন্ডায়মান একটি দেয়াল। নির্বিকার।
ফ্যাকাসে আবরণ তার শরীরে, বয়স অনেক।
কতো নির্ঘুম রাত্রি পার করেছে এই দেয়াল, তার হিসেব ঈশ্বরই লিখে রেখেছেন।
অনেক দীর্ঘ এবং সরু।
শত ঝড়-ঝঞ্জায় অনেক জায়গায় তার আস্তর খসে পড়েছে
তবে একটি স্থানে আঁচড় লাগেনি এক চুলও।
কে জানে, কতো যুগ কেটে গেছে এইভাবে...
এক আলোক বর্ষ হবে তো!
দেয়ালের ঠিক মাঝখানে
মাঝ দেয়ালে একটা কাঠের ফ্রেম লেপ্টে আছে।
কারিগর তার সুনিপুণ হস্তে পরম মমতায়
ফ্রেমটা বসিয়েছে খুব যতনে।

অপেক্ষা

বিনিদ্রা
মন খারাপের পাখি
আমার দুঃখ রাতের সাথী
প্রত্যহ তোমাকে বিদায় জানাই। প্রভাতে
দূর গ্রামের রেল- কৃষ্ণকায়া গ্রহণ করে না তোমায়
নাকি তুমি অনেক পথ পাড়ি দিয়ে ক্লান্ত- পরিশ্রান্ত
তাই স্টেশনের দেখা পেয়েছো অনেক দেরিতে
ভোরের ট্রেন যে ছেড়ে গেছে অনেক আগেই
গন্তব্যহীন পথিকের মতো
উদ্দেশ্যহীন, পড়ন্ত বিকেলে
আমার আবাসে, ফের রাত্রি পেরোতে।

শূণ্য গৃহের আতিথ্য মন্দ কী হে
আমার অতিথি; বিজন রাতের পাখি
প্রতিদিন
আর ফিরবেনা বলে চলে যাওয়া
তবুও সন্ধ্যায় ফিরে ফিরে আসা।

বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৪

প্রিয়তমেষু

তারপর একদিন তুমি খবর পাবে
কোনও এক শনিবার
ঘড়ির কাঁটা তখন পাঁচের ঘর ছুঁতে পারে
সূর্যটা পশ্চিমের আকাশে গা ঢাকা দিতে চাইবে।
অনেকগুলো চিল দেখা যাবে দূরের আকাশে
তুমি তখন জানবে–
মাটির খাঁচা ছেড়ে
আমার পোষা পাখিটা উড়ে গেছে
হারিয়ে গেছে।
অথবা এমনটা নাও হতে পারে।
হতে পারে
সেদিন সূর্যের দেখাও মিলবে না।
আকাশ কাঁদবে সেদিন।
একটা দূর্ঘটনা ঘটতে পারে
তোমার নিকটস্থ সড়কে।
আমি চলে যেতে পারি পৃথিবী ছেড়ে
অথবা
খবরটা তুমি নাও পেতে পারো।

বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৪

র্স্পশ

যদি হতে পারতাম তোমার বাড়ির আঙিনার ছোট্ট একটা বাগান
প্রতিদিন আমায় দেখে যেতে
যদি হতাম তোমার ঘরের বারান্দা, আমার উপর দিয়ে হেঁটে যেতে তুমি
আমি যদি হতাম তোমার বারান্দায় রাখা টবে ফোটা ফুল
প্রতি বিকেলে আমার গায়ে জল ছিঁটাতে তুমি কাছে আসতে
যদি হতাম তব পুষ্প কুঞ্জের একটি সাদা গোলাপ


শনিবার, ২১ জুন, ২০১৪

নিকষ মেঘলা


ঝুলন্ত, পশ্চিমের চন্দ্রহারা মলিন আকাশ
ঘুমন্ত, ছায়াতরু                                                          
তন্দ্রাচ্ছন্ন পত্র-পল্লব দোলে দক্ষিণের বরিষণে
আর বৃক্ষদের মাথায় বিস্তার করেছে কৃষ্ণ সাম্রাজ্য
কদাচিৎ দেড় ফুট জলের পিঠে
মৃদু বাতাসের মন্থর আলিঙ্গন ধরা দেয় না কারও চোখে
চতুর্ধারে ছোট বড় কতো জীবন্ত কাষ্ঠ। নিদ্রায় বিভোর
অথচ এক ঝাঁক বিহগ এসেছিলো রাত জেগে গল্প করতে
নির্ঘুম বিটপীর খোঁজে
দেখে এখানে কেবল দেবদারুর কালচে পাতা নড়ে
                       আমাদের দেশের গাছের পাতার হরেক বর্ণ
                       সবুজ; হালকা, ঘন ও মলিন সবুজ; নীলাভ; নীল এবং কালো

রবিবার, ৪ মে, ২০১৪

স্থায়িত্ব

শুরু থেকেই আমি তোমার সঙ্গে ছিলাম; শেষ পর্যন্ত থাকবো
মানুষের মুখ নিসৃত শব্দের কাঁটা-বান কখনও আমাদের ভিন্ন করতে পারবে না
আমি তোমায় ভালোবাসতে চাই, যতোটুকু সম্ভব হয় তার চেয়েও বেশি
যা কিছুই করো তুমি, ব্যাথা অনুভূত হবে না আমার
এখানে ভালোবাসা শুধুই আমাদের জন্য
মম হৃদয় পিঞ্জরে, মন মন্দিরে কেবল-ই তোমার ভালোবাসা
আমি তোমার মাঝে শুধু অনুরাগ দেখেছি, আর পরম স্বস্তি পেয়েছি
আমি ভুলে গেছি অতীতের সেই সময়কে যা ছিলো দূর্যোগপূর্ণ সম্পর্কের
ভুলেছি সে সব কন্টকাকীর্ণ পথ যা ছিলো বন্ধুর
আমার যেনো কিছুই ছিলো না, তোমায় পাবার আগে
আজ আমার কিছুই নেই, তোমাকে ছাড়া

from Stable Love

বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৪

তবু তুমি জেগে ওঠো ছায়া কবিতায়



    
তোমায় নিয়ে লেখা হবে এক দীর্ঘ ইতিহাস
কোনও ঐতিহাসিক তা লিখবে
তিক্ত সত্য অথবা মিঠাই ছুরির আচঁড়ে
মিশ্রিত কিছু মিথ্যা দিয়ে,
শত শত পৃষ্ঠা
লেখা হবে পোশাক শিল্প বিপ্লব দিবস
২৪শে এপ্রিলের গল্প,
অথবা ধূলো-বালির আস্তরে ঢেকে দিবে
তোমার মলিন অবয়ব
দাসত্বের উত্তরাধিকার তব ললাটের লিখন ছিলো
কাহিনীকারের কলমের খোঁচায় আহত তুমি
স্বপ্ন-আশার রক্তাক্ত ক্ষত সারাও প্রতিবার-
কোনও রকমে বেঁচে থাকতে চাও।

সোমবার, ৩১ মার্চ, ২০১৪

অ স মা প্ত চি ঠি

   




ফেরার আগে বহু আগের সেই চিলেকোঠায় একবার ঢুঁ মারতে ভুললাম না। জং ধরায় পুরানো তালাতে চাবি কাজ করছে না। অবশ্য এতো দিনে চাবিতেও মরচে পড়ে গেছে। তালাটা ভাঙতে হলো। ভেতরের ভ্যাপসা বাতাস প্রতিবাদ করে উঠলো। গুমোট গন্ধের ধাক্কায় আমি পেছনে সরে আসতে বাধ্য হলাম- যেনো কয়েক যুগ ধরে ওরা মুক্তির জন্য হাঁসফাঁশ করছিলো বন্দিখানায়। পুরোটা ঘরে মাকড়সার রাজত্বই চোখে পড়ছে। করিমকে বলে ভেতরটা পরিষ্কার করালাম।

কোথায় যেনো কয়েকটা ছবি রেখেছিলাম। ছবিগুলো খুব দরকার ছিলো। ওগুলো পাওয়া গেলো সিন্দুকে। একটা হলুদ খামও পেলাম। প্রেরকের নাম, ঠিকানা কিছুই লেখা নেই। প্রাপকের অংশ পড়ে বুঝতে বাকি রইলোনা, সে একজন মেয়ে। চিঠিটা পড়ার লোভ সামলাতে পারলামন না।

শনিবার, ৮ মার্চ, ২০১৪

নীল অথবা বৃষ্টি-নৃত্য

আমি কিছু পাখি কিনেছি। পাখিগুলোর রঙ নীল। 
যখন আমার অনেকগুলো নীল পাখি হবে, তখন সবগুলো পাখি একদিন আকাশের পানে উড়িয়ে দেবো। 
তুমি তাকিয়ে দেখো- আকাশটা নীল রঙ মেখে সেদিন ভেসে থাকবে। 
তুমি আমায় খুঁজে নিও ঐ আকাশের নীল সমুদ্রে শুভ্র মেঘমালার মাঝে। 
অথবা উড়ন্ত পাখিদের নীল ডানার ভাঁজে।

শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১৪

বালিকার চাওয়া

অতটুকু চায়নি বালিকা! চেয়েছিল আরো কিছু...
একদা একটা গান লিখে নতুন সুরে তারে সাজাতে
          চেয়েছিল সুন্দর মালা গেঁথে নতুন গলে পরাতে
          প্রিয়তমের হাতে হাত রেখে ফুল কুড়াতে

চেয়েছিল একটা পৃথিবী বানিয়ে নতুন করে ঘর সাজাতে
          একটা মন কিনে নতুন রঙে তারে রাঙাতে
          একে অপরের হাত ধরে রংধনুর রং নিতে

সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৩

গুডবাই স্বপ্নবীণা...

        

তুমি কি ফিরে আসতে পারবে?
আমার কল্পনায় নয়
আমার স্বপ্নে নয়
নয় কোনও অলৌকিক বা অশরীরী কিছু হয়ে
তোমাকে ফিরতে হবে জীবিত হয়ে
এটা কি সম্ভব?

সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৩

তবুও কিছু- কিছুই থেকে যায়


কিছু স্বপ্ন আকাশের কোলে বলিরেখার ন্যয় মুছে যায়
কিছু আশা তীরে ভিড়তে পারে না, মাঝ নদীতেই ডুবে যায়
সন্ধ্যা তারার মতো একটু একটু জ্বলে নিভে আঁধারে ঢাকা পড়ে
কিছু স্বপ্ন স্রোতের ধারায় বইতে থাকে
চোরাবালিতে ডোবাতে থাকে
মরিচিকার মতো আজীবন হাতছানি দিয়ে পিছু ডাকে

রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৩

হারিয়েই যাবে যদি.. তবে কেনো এসেছিলে

নাহ..
এখন আর আমাদের চলার পথে দেখা হয়না। আচমকা
ফোনে বা স্কাইপে কথা বলা হয়না এখন আর
আমরা এখন আর চিঠি চালাচালি করিনা
পরোক্ষ ভাবে কেউ কারও খবরও নিইনা আমরা
ফেসবুকে মেসেজ দিয়ে রাখিনা আর

রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৩

দ্বৈত ভালোবাসা


ভালোবাসার এ–পিঠ  
ভালোবাসা মানে অনেক কিছু পেয়ে যাওয়া ভালোবাসা মানে কারও মুখ পানে তাকিয়ে থাকা ভালোবাসা মানে রাত জেগে গল্প করা ভালোবাসা মানে কাউকে সব সময় কাছে পাওয়া ভালোবাসা মানে কিছু একটা প্রকাশ করে দেয়া ভালোবাসা মানে হাসিমাখা মুখ ভালোবাসা মানে কারও মন জয় করা ভালোবাসা মানে প্রেম সাগরে স্নান করা ভালোবাসা মানে কিছু স্বপ্ন দেখা

সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৩

ভুল পথে হাঁটছো.. বালিকা.. ঃ~~~


বালিকা নীরব
কপট তার বাকশক্তি
সর্ব-সহিষ্ণু হৃদয়
পাণ্ডুর মুখশ্রী

ভুল.. বালিকা
ভুল পথ ধরেছো
ভ্রান্ত তব চৈতন্য

জীবনের বহু অন্তমিল
তুমি ক'টা পেরিয়েছো..
এটুকুতেই শ্রান্ত !!!

শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৩

~~~ উদাস নিশীথ ~~~


তুমি এসেছিলে
এসেছিলে রংধনু হয়ে
চমৎকার এক স্বপ্ন হয়ে আমার জীবনে
আমায় তুমি সজীব করেছিলে
নতুন করে। বসন্তময় কিছু প্রহর।
আনন্দঘেরা ক্ষণকাল
পুনরায় হাসতে শিখিয়েছিলে আমায়
আমি আবার গান গেয়েছিনু বহুদিন পর
স্মৃতি থেকে অতীত হারিয়ে ফেলেছিলাম

মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৩

~~~ মনে করো, যেন বিদেশ ঘুরে || মাকে নিয়ে যাচ্ছি অনেক দূরে || তুমি যাচ্ছ পালকিতে, মা, চ’ড়ে ~~~


মা
তুমি মা
মমতাময়ী মা
মা.. তুমি ধৈর্যের প্রতীক
    মা.. তুমি চির উদারতার আধার ঃ–––
মা.. ওগো মা.. তুমি মহান
তু্মি একটি সমাজ
একটি জাতি-
দেশ-
ম হা দে শ..
মা.. তুমি পৃথিবী।।