মা.. ওমা.. উঠো। ভাত দু’টা খেয়ে নেও। আমি পানি নিয়া আসি” বলে পুষ্পা কলসি হাতে কলপাড়ের দিকে হেঁটে গেলো। আজ চারদিন পর জ্বরাক্রান্ত কমলা দেবী ধীরে ধীরে তিক্ত খাবার খেতে শুরু করলো। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সদানন্দ বাবু কিছু ট্যাবলেট এনে দিয়েছিলো। তা-ও প্রায় শেষের দিকে। জ্বর কিছুটা কমলেও শরীর খুব শীর্ণ হয়ে পড়েছে। কয়েকদিন আগে ঘটে যাওয়া দৃশ্যগুলো তার চোখের সামনে ভাসছে। নিজের অজান্তেই কমলা দেবী'র মুখ দিয়ে বেরিয়ে এলো- এটাই কি ছিলো আমার কপালে? একই সাথে তার শরীর কেঁপে কেঁপে ওঠে। যেন ভয় পেয়ে শিউরে উঠছে।
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন। জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।। (ফেব্রুয়ারি ১৭, ১৯৬৭ – জানুয়ারি ৪, ২০১৩)
ইমন ভাই, তুমি ভালো থাকো। শান্তিতে থাকো।
YouTube বন্ধ হয়ে গেলে...
বেশ কিছু দিন যাবৎ বাংলাদেশে ইউটিউব বন্ধ ছিল। কিন্তু তাই বলে আমাদের প্রয়োজন শেষ হয়ে যায় নি। নিজেদের প্রয়োজনের স্বার্থে বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে উপায় বের করে নিয়েছি।
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন। জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।। (ফেব্রুয়ারি ১৭, ১৯৬৭ – জানুয়ারি ৪, ২০১৩)
ইমন ভাই, তুমি ভালো থাকো। শান্তিতে থাকো।
তুমি নেই তাই
পরমিতা.. হয়তো বা আজ রাতে.. হয়তো বা তোমায় একটা চিঠি লিখতে পারি। তোমার অবর্তমানে আমার অনুভূতিগুলো সাজাবো তাতে।।
বৃহস্পতিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৬
পোড়া মাটি
মা.. ওমা.. উঠো। ভাত দু’টা খেয়ে নেও। আমি পানি নিয়া আসি” বলে পুষ্পা কলসি হাতে কলপাড়ের দিকে হেঁটে গেলো। আজ চারদিন পর জ্বরাক্রান্ত কমলা দেবী ধীরে ধীরে তিক্ত খাবার খেতে শুরু করলো। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সদানন্দ বাবু কিছু ট্যাবলেট এনে দিয়েছিলো। তা-ও প্রায় শেষের দিকে। জ্বর কিছুটা কমলেও শরীর খুব শীর্ণ হয়ে পড়েছে। কয়েকদিন আগে ঘটে যাওয়া দৃশ্যগুলো তার চোখের সামনে ভাসছে। নিজের অজান্তেই কমলা দেবী'র মুখ দিয়ে বেরিয়ে এলো- এটাই কি ছিলো আমার কপালে? একই সাথে তার শরীর কেঁপে কেঁপে ওঠে। যেন ভয় পেয়ে শিউরে উঠছে।
জানোয়ার
বাতাসের শোঁ-শোঁ গর্জনের মাঝেও অন্য কিছুর শব্দ আমার কর্ণকুহরে প্রবেশ
করছিলো। মধুর আওয়াজ নয়, আশার বাণীও নয়, নয় কোনও মানুষের কথা। অথচ তা কোনও
পাখির ভাষাও ছিলো না। আশেপাশে কতোগুলো পোকামাকড় ছিলো। ওগুলোর হাতে বিষ,
পায়ে বিষ, বিষ ওগুলোর মুখে; সর্বশরীরে। চারিদিকে ওদের ছুটোছুটির শব্দ
অত্যন্ত ভয়ংকর শোনা যাচ্ছিলো। চারিধারে ওরা লম্ফঝম্ফ করে বিষ ছুড়ছিলো। এই
জগৎটা যেনো কেবলই ওদের, অন্য কারও বাস করার অধিকার নেই এতে।
সেভ প্যালেস্টাইন
তুমি যুদ্ধগ্রস্ত; আবহ বন্দি
এক টুকরো নির্মল বায়ুর খোঁজে ছুটছো
মৃত্যুর পথে ধাবমান, মরণ তোমার পিছু
নিঃশ্বাসে পাও বারুদ পোড়া
অনিল ভাসায় রক্ত পচা, বিঁধছে বুকে বুলেট।
ঢেউ তুলে হাওয়ায় দুলে কাশবনের মাথায়
আকাশের বুকে এক ছোপ নীল মেখে
তব প্রাণখানি সাদা বক সেজে উড়ে যায়
কে জানে- কোথায়, কার হিয়ায়, কোন অজানায়।
বিশ্বে আজ ঈদের হর্ষ-হাসি
দামি কাপড়, নতুন জামা-জুতো
তোমার দেহে পুরান ছেঁড়া সুতো
ঈদটা তোমার বড়ই কটু বাসি।
২৯ জুলাই, ২০১৪
এক টুকরো নির্মল বায়ুর খোঁজে ছুটছো
মৃত্যুর পথে ধাবমান, মরণ তোমার পিছু
নিঃশ্বাসে পাও বারুদ পোড়া
অনিল ভাসায় রক্ত পচা, বিঁধছে বুকে বুলেট।
ঢেউ তুলে হাওয়ায় দুলে কাশবনের মাথায়
আকাশের বুকে এক ছোপ নীল মেখে
তব প্রাণখানি সাদা বক সেজে উড়ে যায়
কে জানে- কোথায়, কার হিয়ায়, কোন অজানায়।
বিশ্বে আজ ঈদের হর্ষ-হাসি
দামি কাপড়, নতুন জামা-জুতো
তোমার দেহে পুরান ছেঁড়া সুতো
ঈদটা তোমার বড়ই কটু বাসি।
২৯ জুলাই, ২০১৪
পূর্বপুরুষ
প্রবল বাতাসের বিপরীতে সদা দন্ডায়মান একটি দেয়াল। নির্বিকার।
ফ্যাকাসে আবরণ তার শরীরে, বয়স অনেক।
কতো নির্ঘুম রাত্রি পার করেছে এই দেয়াল, তার হিসেব ঈশ্বরই লিখে রেখেছেন।
অনেক দীর্ঘ এবং সরু।
শত ঝড়-ঝঞ্জায় অনেক জায়গায় তার আস্তর খসে পড়েছে
তবে একটি স্থানে আঁচড় লাগেনি এক চুলও।
কে জানে, কতো যুগ কেটে গেছে এইভাবে...
এক আলোক বর্ষ হবে তো!
দেয়ালের ঠিক মাঝখানে
মাঝ দেয়ালে একটা কাঠের ফ্রেম লেপ্টে আছে।
কারিগর তার সুনিপুণ হস্তে পরম মমতায়
ফ্রেমটা বসিয়েছে খুব যতনে।
ফ্যাকাসে আবরণ তার শরীরে, বয়স অনেক।
কতো নির্ঘুম রাত্রি পার করেছে এই দেয়াল, তার হিসেব ঈশ্বরই লিখে রেখেছেন।
অনেক দীর্ঘ এবং সরু।
শত ঝড়-ঝঞ্জায় অনেক জায়গায় তার আস্তর খসে পড়েছে
তবে একটি স্থানে আঁচড় লাগেনি এক চুলও।
কে জানে, কতো যুগ কেটে গেছে এইভাবে...
এক আলোক বর্ষ হবে তো!
দেয়ালের ঠিক মাঝখানে
মাঝ দেয়ালে একটা কাঠের ফ্রেম লেপ্টে আছে।
কারিগর তার সুনিপুণ হস্তে পরম মমতায়
ফ্রেমটা বসিয়েছে খুব যতনে।
অপেক্ষা
বিনিদ্রা
মন খারাপের পাখি
আমার দুঃখ রাতের সাথী
প্রত্যহ তোমাকে বিদায় জানাই। প্রভাতে
দূর গ্রামের রেল- কৃষ্ণকায়া গ্রহণ করে না তোমায়
নাকি তুমি অনেক পথ পাড়ি দিয়ে ক্লান্ত- পরিশ্রান্ত
তাই স্টেশনের দেখা পেয়েছো অনেক দেরিতে
ভোরের ট্রেন যে ছেড়ে গেছে অনেক আগেই
গন্তব্যহীন পথিকের মতো
উদ্দেশ্যহীন, পড়ন্ত বিকেলে
আমার আবাসে, ফের রাত্রি পেরোতে।
শূণ্য গৃহের আতিথ্য মন্দ কী হে
আমার অতিথি; বিজন রাতের পাখি
প্রতিদিন
আর ফিরবেনা বলে চলে যাওয়া
তবুও সন্ধ্যায় ফিরে ফিরে আসা।
মন খারাপের পাখি
আমার দুঃখ রাতের সাথী
প্রত্যহ তোমাকে বিদায় জানাই। প্রভাতে
দূর গ্রামের রেল- কৃষ্ণকায়া গ্রহণ করে না তোমায়
নাকি তুমি অনেক পথ পাড়ি দিয়ে ক্লান্ত- পরিশ্রান্ত
তাই স্টেশনের দেখা পেয়েছো অনেক দেরিতে
ভোরের ট্রেন যে ছেড়ে গেছে অনেক আগেই
গন্তব্যহীন পথিকের মতো
উদ্দেশ্যহীন, পড়ন্ত বিকেলে
আমার আবাসে, ফের রাত্রি পেরোতে।
শূণ্য গৃহের আতিথ্য মন্দ কী হে
আমার অতিথি; বিজন রাতের পাখি
প্রতিদিন
আর ফিরবেনা বলে চলে যাওয়া
তবুও সন্ধ্যায় ফিরে ফিরে আসা।











